মোঃ শাহজাহান বাশার,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (১ জুন) রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা ও শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।
তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের নাম। ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।
স্বাধীনতার পর তিনি জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন সময়ে শিল্পমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অবদান রাখেন। ভোলা অঞ্চলের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শোক প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
এক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অবসানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সৃষ্টি হলো এক অপূরণীয় শূন্যতা। তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।