ফরিদপুর প্রতিনিধি।
ফরিদপুরের মধুখালি উপজেলার ছাত্রলীগ নেতা প্রান্ত মির্জার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, গতকাল গভীর রাতে ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে নিজ বাসা থেকে আটক করে নিয়ে যায়। এরপর আজ সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন পরিবার।
পরিবারের অভিযোগ, প্রান্ত মির্জার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকা সত্ত্বেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের আরও দাবি, গ্রেপ্তারের পর তিনি পুলিশ হেফাজতেই মারা যান। এ ঘটনায় তারা মৃত্যুর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহি দাবি করেছেন।
এদিকে, এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। প্রান্ত মির্জার মৃত্যুর কারণ, গ্রেপ্তারের আইনগত ভিত্তি এবং হেফাজতে কী ঘটেছিল—এসব বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করে যুক্ত করা হবে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মানবাধিকার কর্মীদের মতে, যদি হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তবে বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা জরুরি।
মন্তব্য করুন